ফোলা ফোলা দুধ দুটো ( Part 3 )

দেখলাম কাকী একটা হাত আমার মাথায় রেখে আমার দিকেই চেয়ে আছে। চোখাচোখি হতেই কাকী একটা গরম নিঃশ্বাস ফেলল তারপর জিজ্ঞেস করল,’কিরে দুষ্টু কাকীর স্তনের সব দুধ খেয়ে শেষ করে ফেললি?’ আমি বললাম, ‘কাকী আমি যে এতক্ষণ তোমার দুধ খেলাম তুমি ব্যথা পাওনি তো?’ কাকী কিছুটা মুচকি হেসে বলল, ‘না রে বোকা, দুধ খেলে কাকী কি ব্যথা পেতে পারে? আমার বরং খুব আরাম লাগছিল রে।’ তারপর আমাকে দুহাতে জড়িয়ে ধরে জিজ্ঞেশ করল, ‘আরও খাবি ?’ আমি বললাম, ‘খাব।’ কাকী এবার চিত হয়ে শুয়ে বাকি স্তনটাকেও ব্লাউজের ভেতর থেকে বের করে নিয়ে এলো, ‘এবার এটা চুষে দেখ, কিছু পাস কি না।’ আমি বিন্দুমাত্র দেরি না করে স্তনটাকে মুখে পুরে নিয়ে চুষতে শুরু করে দিলাম। কাকী আবারও একটা বড় করে নিঃশ্বাস ফেলে আমার মাথাটাকে তার বুকে চেপে ধরল। আমার মনে হল কাকী যেন আরও জোরে জোরে স্তনটাকে চুষে দেওয়ার জন্য আমাকে অনুপ্রাণিত করছে। এবার আমি অনেকটাই বেপরোয়া হয়ে উঠলাম। কাকীর এই দুধটাতে খুব বেশি দুধ অবশিষ্ট ছিল না। দুধ শেষ হয়ে আসলেও আমি ঘন ঘন কামড় বসাতে লাগলাম কাকীর স্তনে। কাকী বাধা তো দিলই না বরং আমার মাথাটাকে আরও জোরে তার বুকে চেপে ধরল। আমি পাগলের মতো চুষতে আর কামরাতে লাগলাম কাকীর ফরশা ছোটখাটো একটা জাম্বুরার মতো বড় নরম দুধটাকে। কাকী পরে আমাকে বলেছিল প্রত্যেক মেয়েরই একটা দুর্বল অঙ্গ থাকে যেখানে কোন পুরুষের হাত পরলে মেয়েরা ঠিক থাকতে পারে না। কাকীর দুধ দুটো ছিল কাকীর সেই দুর্বল জায়গা। তাই কাকীর উত্তেজনা ক্রমশ মাত্রা ছাড়িয়ে যেতে থাকে। আমি যখন পাগলের মতো কাকীর দ্বিতীয় স্তনটাতে কামড় বসাচ্ছিলাম তখন কাকী আমার একটা হাত নিয়ে কাকীর অপর স্তনটার উপর রাখে। তারপর ফিসফিসিয়ে আমার কানে কানে বলে, ‘খোকা তুই আমার স্তনটাকে কামড়ে কামড়ে লাল করে দিয়েছিস, এবার একটু জোরে জোরে টিপে দে বাবা, তাহলে আমার ব্যথা কমে যাবে।’ কাকীর স্তনটা তখন আমার হাতের মুঠুতেই ছিল। আমি কোন কথা না বলে আস্তে আস্তে কাকীর স্তনটাকে টিপতে শুরু করলাম আর মুখ দিয়ে তখনো কামড়ে যাচ্ছিলাম কাকীর এদিকের স্তনটা। কাকীর দুধে কামড় বসাতে খুব মজা পাচ্ছিলাম আমি। কিন্তু কাকী এবার ফিসফিস করে বলল, ‘অভি আমার দুধটা আরও জোরে টিপে দে সোনা।’ কাকীর কথা শুনে আমি কাকীর দুধের উপর আরও জোরে চাপ দিতে লাগলাম। কাকীর নরম দুধটা আমার হাতের চাপে দেবে যেতে লাগল। কাকীর নিঃশ্বাসও খুব ঘন হয়ে উঠল। কাকীর দুধ টিপতে মজা পেয়ে গেলাম আমি। গায়ের সমস্ত শক্তি প্রয়োগ করে তখন টিপতে লাগলাম কাকীর দুধ। কাকী বাধা তো দিচ্ছিলই না বরং দু হাত দুদিকে ছড়িয়ে দিয়ে চোখ বন্ধ করে সমস্ত ব্যপারটা উপভোগ করে যাচ্ছিল। আমি একসময় এত জোরে কাকীর দুধে কামড় বসিয়ে দিলাম যে কাকী ব্যথায় ককিয়ে উঠল। কিন্তু কাকী আমাকে ধমক দেওয়ার বদলে শুধু কানের কাছে ফিসফিস করে বলল, ‘এবার এটাকেও টিপে দে অভি। দুই হাতে দুটো দুধ টেপ্।’ কাকী তখন চিত হয়ে শুয়েছিল, তাই কাকীর দুটো দুধ একসাথে টেপার জন্য আমি কিছুটা উঠে বসলাম। কাকী আমাকে এভাবে দেখে বলল, ‘আয়, আমার শরীরের উপর উঠে আয়।’ এই বলে নিজেই আমাকে তার শরীরের উপর উঠিয়ে দিয়ে বলল, ‘অভি, এবার যত জোরে পারিস আমার দুধ দুটোকে টিপে দে। তুই যত জোরে টিপবি আমার ততই আরাম লাগবে। তোর গায়ে যত জোর আছে সবটা দিয়ে টেপ অভি।’ কাকী যখন কথাগুলো বলছিল কাকীর উষ্ণ নিঃশ্বাসের তালেতালে দুধ দুটো তখন কাকীর বুক জোরে উঠানামা করছিল। সেই প্রথম বোধহয় আমি সত্যিকারের পুরুষ হয়ে উঠলাম। কাকীর বুকের উপর আছড়ে পরে শরীরের সমস্ত শক্তি দিয়ে টিপতে লাগলাম কাকীর বুকের মধুভরা নরম মাংসপিণ্ড দুটো। টিপতে টিপতে কচলাতে কচলাতে দুটো দুধকে একাকার করে দিতে লাগলাম আমি। কাকী উত্তেজনায় আর থাকতে পারল না। মুখে একটা চাপা গোঙ্গানির মতো আওয়াজ তুলে আমার মাথাটাকে নিচের দিকে নামিয়ে এনে একের পর এক চুমু খেতে লাগল আমার মুখে। আমি অবিরাম দাবিয়ে চলেছিলাম কাকীর বুকের দুটো পাহাড়। কাকীর কথাতেই এরপর কাকীর ঠোঁটে চুমু খেলাম আমি। কাকী বলল, ‘আরও চুমু দে ,আরও!’ আমি কাকীকে জড়িয়ে ধরে চুমু খেলাম আর এভাবেই আমি একজন পুরুষ হয়ে উঠলাম। টের পেলাম আমার লিঙ্গ দাঁড়িয়ে গিয়ে কাকীর শাড়ির উপর দিয়েই কাকীকে ধাক্কা দিচ্ছে। কাকী কি টের পাচ্ছে কিছু? কাকীর মুখ দেখে তা বুঝার উপায় নেই। আমাকে বেশ কয়েকবার প্রচণ্ড আবেগ নিয়ে চুমু খাওয়ার পর কাকীর শরীর কেপে কেপে উঠে তখন অনেকটাই নিস্তেজ হয়ে পড়েছে। চোখ বুজে দুহাত ভাঁজ করে মাথার দুপাশে রেখে চুপচাপ হয়ে ছিল তখন। কিন্তু আমার শরীর যেন তখন পুড়ে যাচ্ছিল কামনার অনলে। আমি কাকীকে আবার মুখে চুমু খেলাম। তারপর কাকীর দুধ দুটোকে দুই হাতের মুঠিতে নিয়ে কাকীর ছায়া আর শাড়ির উপর দিয়েই আমার উদ্ধত পুরুষাঙ্গটাকে কাকীর নিম্মাঙ্গে ঘসতে লাগলাম। কাকী চুপ করে শুয়ে আছে। কাকীর সমস্ত শরীরটাকে আমার হাতে সঁপে দিয়ে কাকী যেন তখন নিশ্চিন্তে ঘুমের রাজ্যে হারিয়ে গেছে। ইচ্ছে করলে কাকী সেদিনই আমার কৌমার্য গুচিয়ে দিতে পারত। কিন্তু কাকী ইচ্ছে করে নি। নিজের যৌবন চঞ্চলা দেহটাকে আমার পৌরুষের কাছে সঁপে দিয়েছিলেন ঠিকই কিন্তু আমাকে শিখিয়ে দেননি কিভাবে সেই যৌবন তরী বাইতে বাইতে জীবনের শ্রেষ্ঠতম সুখের বন্দরে নিয়ে ভেড়াতে হয়। তাইআমি আনাড়ি এক মাঝির মতো নাও নিয়ে কামদরিয়ার অথই জলে এদিক ওদিক ছুটতে লাগলাম। যেকোনো কারনেই হোক কাকীর সাথে আমার আর কথা হল না। আমি কাকীকে জড়িয়ে ধরে জামা কাপড়ের উপর দিয়েই আমার যৌবনদণ্ডটা দিয়ে তার নিম্নাঙ্গে ঠাপের পর ঠাপ দিতে লাগলাম আর মাঝে মাঝে খোলা স্তন দুটোতে চুমু আর কামড় বসাতে লাগলাম। কাকী ওইভাবেই শুয়ে থেকে আমার সমস্ত পুরুষালী উতপীড়ন শরীর পেতে গ্রহন করল। কাকীর দুধ চুষতে চুষতে আর ঠাপ কাকীরতে কাকীরতে একসময় বীর্যপাত করলাম আমি। সেটা আমার জীবনের দ্বিতীয়তম বীর্যপাত। ক্লান্তিতে আমার মাথাটা এলিয়ে দিলাম কাকীর ভরাট বুকে। ওই রাতের আর কোন ঘটনাই আর মনে নেই আমার। কিন্তু ওই রাতের মধ্য দিয়েই কাকী এবং আমার মধ্যে জন্ম নিল নতুন এক জীবন- কাকী এবং আমার যৌনজীবন।

৪টি মন্তব্য:

  1. সেরা চুদাচুদির গল্প পড়তে choti15.blogspot.in এর উপর Click করুন

    বাংলা প্রেমের গল্প , মিষ্টি গল্প ও অন্যান্য গল্প পড়তে storyinbengali.blogspot.in এর উপর Click করুন

    Sexy Actress দের দেখার জন্য sexyxxxwallpaper.blogspot.in এর উপর Click করুন।

    উত্তরমুছুন